বরাবর
সচিব
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বিষয়ঃ করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে।
জনাব,
আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, একক রোগ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি বছর সবচে বেশি মানুষ মারা যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। বিগত বছরগুলোতে জীবন যাত্রার ধরন ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তিত হওয়ার কারনে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগ যেমন উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, ইত্যাদি রোগের প্রাদূর্ভাব বেড়ে গিয়েছে। ইদানিং শুধু উচ্চবিত্ত নয়, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষদের মধ্যেও অনেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।আমাদের দেশে হৃদরোগের কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে এনজিওপ্লাস্টি চালু হবার পর দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত বহু রুগি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। তবে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি এখনো অধিকাংশ মানুষের সাধ্যের বাইরে। বাংলাদেশে এখন প্রায় অর্ধশত ক্যাথল্যাবে এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে করোনারি স্টেন্টিং বা হার্টে রিং পরানোর ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রতিদিন এই ক্যাথল্যাবগুলোতে প্রায় শতাধিক রুগির এনজিওপ্লাস্টি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এনজিওপ্লাস্টি করার ক্ষেত্রে যেসব করোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিং ব্যবহার করা হয় তার সবগুলোই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এ সমস্ত রিং আমদানির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫-২০ টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ নিবন্ধন থাকলে বর্তমানে একশোরও বেশি প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে স্টেন্ট আমদানি করছে। করোনারি স্টেন্ট আমদানি সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে না দেয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত রুগিদের এসব স্টেন্ট কয়েকগুন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারী ও প্রাইভেট হাসপাতালে ৫-৭ হাজার টাকা মূল্যের করোনারি স্টেন্ট ৪০-৬০ হাজার টাকা, এবং ৩৫-৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্টেন্ট ১.৫ -২.৫ লাখ টাকা রাখা হচ্ছে, যা একই সাথে অনৈতিক ও চরম অমানবিক। বাংলাদেশে প্রায় ৪ শতাধিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ থাকলেও তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন এনজিওপ্লাস্টি করতে থাকেন। মূলত তারাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্টেন্ট আমদানিকারক ও স্টেন্ট সরবারোহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে একটি অশুভ চক্র তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকার অবৈধ স্টেন্ট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে করোনারি স্টেন্টের দাম ৮৫% পর্যন্ত কমিয়ে আনা হয়েছে। গোটা ভারতবাসী সরকারের এই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করছে।
সবিনয়ে নিবেদন এই যে, বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারী কার্ডিয়াক স্টেন্ট একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস যার উৎপাদনকারী বা আমদানিকারককে অবশ্যই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিচালিত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত হতে হবে। এ ধরনের মেডিকেল ডিভাইসের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়ার দায়িত্ব ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের হলেও কোন এক অজানা কারনে সেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। খোদ সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রতিদিন অসংখ্য অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কয়েক গুন বেশি দামে স্টেন্ট বিক্রি করে যাচ্ছে। এসব নাম গোত্রহীন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা লাখ লাখ টাকার পন্য বিক্রি করলেও ক্রেতা অর্থাৎ রুগিকে কখনই কোন ধরনের রশিদ প্রদান করে না। ফলে রুগির পক্ষ থেকে পরবর্তীতে কোন অভিযোগ আনারও সুযোগ থাকে না। এমতাবস্থায় আমরা মাননীয় দশম সংসদের মাধ্যমে সরকারের কাছে নিম্নের সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করতে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
১) রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন ফর মেডিক্যাল ডিভাইসেস ২০১৫ এবং ড্রাগ অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর নির্দেশনা অনুসারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস হিসেবে অবিলম্বে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হোক।
২) সব ধরনের করোনারি স্টেন্ট আমদানিকারকদের ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক। এবং অবৈধ আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৩) সরকার নির্ধারিত করোনারি স্টেন্টের মূল্য তালিকা এবং বৈধ আমদানিকারকদের নাম দেশের প্রতিটি ক্যাথল্যাবের সামনের দেয়ালে টাঙ্গানো বাধ্যতামূলক করা হোক।
৪) কোন হাসপাতাল নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম আদায় করলে অনতিবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৫) ক্যাথল্যাবের মত স্পর্শকাতর একটি বিভাগে স্টেন্ট সরবারোহকারী প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত যে কোন ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক।
৬) বিনা প্রয়োজনে বা অতিরিক্ত স্টেন্ট ব্যবহার বন্ধ করতে এনজিওপ্লাস্টি করার সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে একজন কার্ডিয়াক সার্জনের মতামত নেয়া বাধ্যতামূলক করা হোক।
৫) সরকারি উয্যোগে আরো অধিক সংখ্যক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের এনজিওপ্লাস্টির উপর প্রশিক্ষণ প্রধান করা হোক।
অতএব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনি উল্লেখিত প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
নিবেদক
স্বাক্ষরঃ
নামঃ
ইমেইলঃ
Updates
Reached 250 supporters
April 4, 2017
Reached 100 supporters
March 27, 2017
284 Comments
I am 40+ and obese; I am very much prone to heart diseases and may need invasive treatment like stent installaiton. I must sign this petion for my own future; but this will help hundred thousands others as well.
"বিভিন্ন সরকারী ও প্রাইভেট হাসপাতালে ৫-৭ হাজার টাকা মূল্যের করোনারি স্টেন্ট ৪০-৬০ হাজার টাকা, এবং ৩৫-৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্টেন্ট ১.৫ -২.৫ লাখ টাকা রাখা হচ্ছে, যা একই সাথে অনৈতিক ও চরম অমানবিক" - অবিশ্বাস্য, ধারনা ছিল না এরকম ডাকাতি করা হয়। আশাকরি এ ব্যপারে সঠিক অনুসন্ধান করে ন্যায্য মূল্য নির্ধারন করা হবে।
রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন ফর মেডিক্যাল ডিভাইসেস ২০১৫ এবং ড্রাগ অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর নির্দেশনা অনুসারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস হিসেবে অবিলম্বে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হোক।
চিকিৎসা মৌলিক অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করতে ঔষধেও মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে থাকাটাই বাঞ্চনীয়। পার্শ্ববর্তী দেশে যেখানে হাজারে পাওয়া যায় সেখানে আমাদের দেশে লাখে বিক্রয় হওয়াটা অযৌক্তিক বৈকি। প্রয়োজনে মূল ঔষধের বা কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ক্রয়সীমার মধ্যে নির্ধারণ করা হোক।
আমি নিজেও একজন হৃদরোগের রোগি। আর্থিক অনোটনের জন্যে আমি এনজিওগ্রাম সহ আমার হার্টের অন্যান্য চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরেও আবেদন করেছি যার কোন সাড়া আমি পাই নাই। খুব ভাল একটা উদ্দ্যোগ এটি। উদ্দ্যেগ গ্রহনকারিদের আমার মতো গরীবের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। সাফল্য কামনা করছি আর সরকার দ্রুত বিষয়টির সমাধানের জন্যে অনুরোধ করছি।
I think government should took a ideal & appropriate decision for all
Request from mass people.
Sign Petition
We never post to your account. Social sign-in is used only to verify your signature.
Add a comment?
Your signature will be added via . Tell others why you're signing — it's optional.
By signing, you accept iPetitions Terms of Service and Privacy Policy.
Share Petition
Don't stop at signing, share the petition link with friends to multiply our impact
Copy link or share directly
বরাবর
সচিব
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বিষয়ঃ করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে।
জনাব,
আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, একক রোগ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি বছর সবচে বেশি মানুষ মারা যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। বিগত বছরগুলোতে জীবন যাত্রার ধরন ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তিত হওয়ার কারনে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগ যেমন উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, ইত্যাদি রোগের প্রাদূর্ভাব বেড়ে গিয়েছে। ইদানিং শুধু উচ্চবিত্ত নয়, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষদের মধ্যেও অনেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।আমাদের দেশে হৃদরোগের কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে এনজিওপ্লাস্টি চালু হবার পর দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত বহু রুগি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। তবে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি এখনো অধিকাংশ মানুষের সাধ্যের বাইরে। বাংলাদেশে এখন প্রায় অর্ধশত ক্যাথল্যাবে এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে করোনারি স্টেন্টিং বা হার্টে রিং পরানোর ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রতিদিন এই ক্যাথল্যাবগুলোতে প্রায় শতাধিক রুগির এনজিওপ্লাস্টি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এনজিওপ্লাস্টি করার ক্ষেত্রে যেসব করোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিং ব্যবহার করা হয় তার সবগুলোই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এ সমস্ত রিং আমদানির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫-২০ টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ নিবন্ধন থাকলে বর্তমানে একশোরও বেশি প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে স্টেন্ট আমদানি করছে। করোনারি স্টেন্ট আমদানি সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে না দেয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত রুগিদের এসব স্টেন্ট কয়েকগুন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারী ও প্রাইভেট হাসপাতালে ৫-৭ হাজার টাকা মূল্যের করোনারি স্টেন্ট ৪০-৬০ হাজার টাকা, এবং ৩৫-৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্টেন্ট ১.৫ -২.৫ লাখ টাকা রাখা হচ্ছে, যা একই সাথে অনৈতিক ও চরম অমানবিক। বাংলাদেশে প্রায় ৪ শতাধিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ থাকলেও তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন এনজিওপ্লাস্টি করতে থাকেন। মূলত তারাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্টেন্ট আমদানিকারক ও স্টেন্ট সরবারোহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে একটি অশুভ চক্র তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকার অবৈধ স্টেন্ট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে করোনারি স্টেন্টের দাম ৮৫% পর্যন্ত কমিয়ে আনা হয়েছে। গোটা ভারতবাসী সরকারের এই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করছে।
সবিনয়ে নিবেদন এই যে, বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারী কার্ডিয়াক স্টেন্ট একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস যার উৎপাদনকারী বা আমদানিকারককে অবশ্যই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিচালিত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত হতে হবে। এ ধরনের মেডিকেল ডিভাইসের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়ার দায়িত্ব ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের হলেও কোন এক অজানা কারনে সেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। খোদ সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রতিদিন অসংখ্য অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কয়েক গুন বেশি দামে স্টেন্ট বিক্রি করে যাচ্ছে। এসব নাম গোত্রহীন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা লাখ লাখ টাকার পন্য বিক্রি করলেও ক্রেতা অর্থাৎ রুগিকে কখনই কোন ধরনের রশিদ প্রদান করে না। ফলে রুগির পক্ষ থেকে পরবর্তীতে কোন অভিযোগ আনারও সুযোগ থাকে না। এমতাবস্থায় আমরা মাননীয় দশম সংসদের মাধ্যমে সরকারের কাছে নিম্নের সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করতে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
১) রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন ফর মেডিক্যাল ডিভাইসেস ২০১৫ এবং ড্রাগ অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর নির্দেশনা অনুসারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস হিসেবে অবিলম্বে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হোক।
২) সব ধরনের করোনারি স্টেন্ট আমদানিকারকদের ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হোক। এবং অবৈধ আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৩) সরকার নির্ধারিত করোনারি স্টেন্টের মূল্য তালিকা এবং বৈধ আমদানিকারকদের নাম দেশের প্রতিটি ক্যাথল্যাবের সামনের দেয়ালে টাঙ্গানো বাধ্যতামূলক করা হোক।
৪) কোন হাসপাতাল নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম আদায় করলে অনতিবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
৫) ক্যাথল্যাবের মত স্পর্শকাতর একটি বিভাগে স্টেন্ট সরবারোহকারী প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত যে কোন ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক।
৬) বিনা প্রয়োজনে বা অতিরিক্ত স্টেন্ট ব্যবহার বন্ধ করতে এনজিওপ্লাস্টি করার সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে একজন কার্ডিয়াক সার্জনের মতামত নেয়া বাধ্যতামূলক করা হোক।
৫) সরকারি উয্যোগে আরো অধিক সংখ্যক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের এনজিওপ্লাস্টির উপর প্রশিক্ষণ প্রধান করা হোক।
অতএব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনি উল্লেখিত প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
নিবেদক
স্বাক্ষরঃ
নামঃ
ইমেইলঃ
Updates
Reached 250 supporters
April 4, 2017
Reached 100 supporters
March 27, 2017
284 Comments
Coronary stent as well as others including drugs should be in resonable price. We the doctors don't want to bussiness with dying patients. Thanks Jahid bhi.
I am 40+ and obese; I am very much prone to heart diseases and may need invasive treatment like stent installaiton. I must sign this petion for my own future; but this will help hundred thousands others as well.
"বিভিন্ন সরকারী ও প্রাইভেট হাসপাতালে ৫-৭ হাজার টাকা মূল্যের করোনারি স্টেন্ট ৪০-৬০ হাজার টাকা, এবং ৩৫-৪০ হাজার টাকা মূল্যের স্টেন্ট ১.৫ -২.৫ লাখ টাকা রাখা হচ্ছে, যা একই সাথে অনৈতিক ও চরম অমানবিক" - অবিশ্বাস্য, ধারনা ছিল না এরকম ডাকাতি করা হয়। আশাকরি এ ব্যপারে সঠিক অনুসন্ধান করে ন্যায্য মূল্য নির্ধারন করা হবে।
রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন ফর মেডিক্যাল ডিভাইসেস ২০১৫ এবং ড্রাগ অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর নির্দেশনা অনুসারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি 'ডি' ক্যাটাগরির মেডিকেল ডিভাইস হিসেবে অবিলম্বে সব ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হোক।
চিকিৎসা মৌলিক অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করতে ঔষধেও মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে থাকাটাই বাঞ্চনীয়। পার্শ্ববর্তী দেশে যেখানে হাজারে পাওয়া যায় সেখানে আমাদের দেশে লাখে বিক্রয় হওয়াটা অযৌক্তিক বৈকি। প্রয়োজনে মূল ঔষধের বা কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ক্রয়সীমার মধ্যে নির্ধারণ করা হোক।
আমি নিজেও একজন হৃদরোগের রোগি। আর্থিক অনোটনের জন্যে আমি এনজিওগ্রাম সহ আমার হার্টের অন্যান্য চিকিৎসা করাতে পারছি না। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরেও আবেদন করেছি যার কোন সাড়া আমি পাই নাই। খুব ভাল একটা উদ্দ্যোগ এটি। উদ্দ্যেগ গ্রহনকারিদের আমার মতো গরীবের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। সাফল্য কামনা করছি আর সরকার দ্রুত বিষয়টির সমাধানের জন্যে অনুরোধ করছি।
I think government should took a ideal & appropriate decision for all
Request from mass people.
Help this petition grow
Share it with friends to help reach 750 signatures.
Sign Petition
We never post to your account. Social sign-in is used only to verify your signature.
Add a comment?
Your signature will be added via .
Tell others why you're signing — it's optional.
Signing with Google or Facebook verifies your signature instantly — no email needed.
By signing, you accept iPetitions Terms of Service and Privacy Policy.
Share Petition
Don't stop at signing, share the petition link with friends to multiply our impact
Petitions like this
Other petitions you might want to support
Make your voice count today!
Scan to share
Anyone who scans this can sign the petition.
Coronary stent as well as others including drugs should be in resonable price. We the doctors don't want to bussiness with dying patients. Thanks Jahid bhi.