প্রতিমন্ত্রী ও তার নেতাদের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে গনসাক্ষর
Asfaq AHMED 0

প্রতিমন্ত্রী ও তার নেতাদের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে গনসাক্ষর

27 people have signed this petition. Add your name now!
Asfaq AHMED 0 Comments
27 people have signed. Add your voice!
3%
Maxine K. signed just now
Adam B. signed just now

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল ও তার পুনর্বাসিত আওয়ামী লীগের কথিত সন্ত্রাসীদের দ্বারা লালপুর ও বাগাতিপাড়ায় নৈরাজ্য, অবৈধ বালি উত্তোলন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, প্রকাশ্যে ডাকাতি, শতাধিক মানুষের নামে মিথ্যা মামলা, বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকা আত্মসাৎ—এসবের প্রতিকার চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় গণস্বাক্ষর কার্যক্রম চলছে।

তার সিন্ডিকেটের দুই থানায় অধিকাংশ নেতা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং অস্ত্রধারী। এছাড়া তাদের পূর্বে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার একাধিক প্রমাণ রয়েছে। তাদের নেতারা সাংবাদিকসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষকে শারীরিক নির্যাতন করে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছে।

নাটোর-১ আসনের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সাবেক লালপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পাপ্পু প্রকাশ্যে নারীদের অবমাননা, অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও অবৈধ বালি উত্তোলনসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। মিষ্টু চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার পরও তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে অনলাইন প্রতারণা, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ বালি উত্তোলনসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

১) পাপ্পু অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। তিনি সর্বক্ষণ একজন বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী “ফেন্সি রবি”-কে সঙ্গে রাখেন এবং তার মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন।

২) সিদ্দিক আলী মিষ্টু, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, নিজে একজন মাদক সেবী এবং মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাকে এলাকার বড় মাদক ব্যবসায়ীদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তিনি অবৈধ বালি উত্তোলনের সঙ্গেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্বে বিএনপির সময়কালেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল, যা বর্তমানে এখনো অব্যাহত রয়েছে।

৩) আব্দুল আজিজ রঞ্জু, ২ নং ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এলাকায় তাকে “মাফিয়া রঞ্জু” নামে পরিচিত করা হয়। তার ছোট ভাইকে এলাকায় বড় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগের আমল থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং পরিবারের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়া লালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোলায়মান হোসেন রিপনের আত্মীয়দের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তার জামাতার নাম হিসেবে “সন্ত্রাসী হৃদয়” উল্লেখ করা হয়।

৪) নজরুল ইসলাম মোল্লা, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ৫ তারিখের পর থেকে গোপালপুরে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিস, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল এবং লালপুর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে হুমকি-ধমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। গোপালপুর বাজারের হিন্দু ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। গোপালপুর স্টেশনের মাদক ব্যবসা থেকে নিয়মিত অর্থ গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। গোপালপুর ডিগ্রি কলেজে সভাপতির পদ ব্যবহার করে নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। তাকে এলাকায় অজনপ্রিয় ও বিতর্কিত এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর অধীন দুই থানায় নেতৃত্বাধীন প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। নাটোরের ওয়ালিয়াতে দিনের বেলা ডাকাতির মূল হোতা ‘ডাকাত মুক্তার’-কে মন্ত্রীর সুপারিশে রক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে ভেলনাবাড়িতে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের তার পুনর্বাসিত সন্ত্রাসীদের দ্বারা কুপিয়ে জখম করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শতাধিক ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীর ফসল ও সম্পদ নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে।

দুই উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিএনপি নেতাদের দিয়ে সিন্ডিকেট করে সরকারি মূল্যের থেকে কয়েক গুণ বেশি টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

মাননীয় তারেক রহমানের “নতুন বাংলাদেশ” গঠনের প্রেক্ষাপটে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষ প্রতিকার প্রত্যাশা করছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুলের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী শুভ, যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মারধরের হুমকি এবং জনাব তারেক রহমান ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগে অভিযুক্ত, তাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এছাড়া সংখ্যালঘু সাধন চন্দ্র কর্মকারের চার্জশিটভুক্ত খুনী ও বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত রিপন নামের একজন ব্যক্তিকেও পুনর্বাসনের অভিযোগ রয়েছে। এরকম শতশত অভিযোগ প্রমানসহ রয়েছে। অনলাইন এবং অফলাইনে বাহিনী তৈরি করে মানুষের কন্ঠ রোধ করে দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী পুতুলের এই আচরন শেখ হাসিনার আচরনের অনুরুপ।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক অসন্তোষ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ প্রতিকার কামনা করছে।

আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন তারা অবিলম্বে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরূদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হয়। সন্ত্রাস মুক্ত লালপুর ও বাগাতীপাড়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।

এই মুহূর্তে এই ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরী এবং জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে এই পিটিশনে সাইন করুন এবং আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন লগ্নে শান্তিপূর্ণ ও সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়।

Share for Success

Comment

27

Signatures