I stand for Tonu and every girl/women in the world.
T
Tittly
10 years ago
Want justice for not only tonu but all the victims
A
Anamica
10 years ago
just want justice for TONU.......
A
Afnan Azam Rudro
10 years ago
I want justice
H
Hasib
10 years ago
Government should HANG those animal publicly ..
N
nusha ahmed
10 years ago
i want justice for tanu
A
Asma ahamed simu
10 years ago
I want justice ...
T
Tapos Sarkar
10 years ago
We want exemplary punishment immediately
A
Angel Choity
10 years ago
আমরা এর ন্যায় বিচার চাই,,,,
তনু বোন আমাদের ক্ষমা করে দিও,,,,
তোমাকে নর পশুর হাত থেকে বাচাতে পারিনি,,,,
R
Rizwana Hussain
10 years ago
I want justice
A
Anuva Tabassum
10 years ago
enough is enough...
Justice & open punishment is the only thing I want.
K
kamrul hassan akash
10 years ago
Justice for tonu
T
Tanni Hossain
10 years ago
Want justice for a very young life who was killed in a
A
Anonymous
10 years ago
I WANT JUSTICE. I WANT DEATH SENTENCE. I WANT SECURITY. I WANT AWARENESS. I WANT BETTER MORALS.
T
Tanvir Islam
10 years ago
All Bangladesh wants justice for Tonu.
S
sharl
10 years ago
ক্যান্টনমেন্টের এক সেনাসদস্য প্রায়ই তনুকে উত্যক্ত করত , তদন্ত ও রহস্যের উৎঘাটন এখন তাকে ঘিরেই হচ্ছে-
স্কুল লাইফে থাকতে অধিকাংশ বন্ধুদের ডিফেন্সে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নে ভিভোর হতে দেখেছি , সাথে সাথে আমিও ভাসতাম তাদের সাথে ।
স্কুল শেষ করে কলেজে পা দিতেই অনেকই তো আড-ঘাট বেঁধে সৈনিক লেবেলে এক্সামও দিয়ে আসে , আশ্চর্য সাথে সাথে আমারও ডিফেন্সের প্রতি অরুচি জন্মাতে থাকে । কারণ ততোদিনে ব্যক্তি স্বাধীনতা নামক জিনিসটা অনুভব করতেছি । এবং সেই ব্যক্তি স্বাধীনতার সদামূল্যয়নে আগ্রহী হয়ে উঠলাম ।
তবে ডিফেন্সের প্রতি অরুচি জন্মের মূল কারণটা হল "ডিফেন্স লাইফের" সঠিক ও বাস্তব ধারণা , খোদ আমার সেজো মামা ডিফেন্সে ততোদিনে ৬/৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন ,
দেখলাম তার শিকল পরা শৃংখলিত ডিফেন্স জীবন !!!! তবে দেখি নাই ক্যান্টনমেন্টের ভিতরের জীবন ?????
সিদ্ধান্ত পাকা " লাইফ আমার আমিই সাওয়ারি "
ডিফেন্স লাইফের চিন্তা ✄✄ কেটে কবর দিলাম !!!
কলেজ শেষ হতেই আত্মীয় সকলের চাপ পড়লো ," বাড়ির বড় ছেলে তুমি , আর কতদিন বাবার উপর বসে খাবে , যাও মামার মতো ডিফেন্সে ঢুকে পড়ো " !!!
ততোদিনে ৬ ফিট উচ্চতায় পৌঁছে গেছি , তাই সবাই মানানসই হিসাবে ডিফেন্সেই বললো ,
যে যাই বলুক আমি শিকল পড়তে রাজি নই !!
" লাইফ আমার আমিই সাওয়ারি"
অন্য দিকে অনেক পরিচিত ছেলে ডিফেন্সে ঢুকে গেছে আর কেউ কেউ ঢুকতে চেষ্টা করেই যাচ্ছে.....
আমি B.sc in Pharmachy তে admitted হয়ে পছন্দের পথে হাটছি।
কিন্তু পরিবারের সেই ডিফেন্সে ঢুকার কথাটা এখনো কাটেনি , বিশেষ করে সেজো মামা তিনি প্রতিনিয়ত ডিফেন্সের সবধরনের নিয়োগ বিজ্ঞাপনের update জানাতেন আর try করতে বলতেন , আমি উদাস ভাবে আশ্বাস্ত করতাম মামাকে ।
ততোদিনে ডিফেন্স লাইফের সাদা-কালো সব ধারণা জানা হয়ে গেছে , এটা কোন জীবন হইলো ?????
দূর !! তার চাইতে কামলা খাটা অনেক ভালো !!
কেন ?????? জানতে চাইলে কমেন্টে আসেন !
শেষ করব একবিংশ শতাব্দীর সভ্য সভ্যতায় আধুনিক নিরপত্তার বলয় কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে ঘটে যাওয়া তনু ধর্ষণ ও হত্যার সাথে ওতপ্রেত ভাবে জড়িত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্লজ্জ ও নিকৃষ্ট ভূমিকা দিয়ে ----
১) সাধারণত ডিফেন্সে শৃংখলা ভঙ্গের সাথে ওই সদস্যকে বা ওই সদস্যদেরকে চাকরিচূত্য করা হয়, কিন্তু সেনাবাহিনী এখন তনু হত্যার ঘটনা চাপা দিতে অতি ব্যস্ত , তাদের চাপের প্রভাব সকল টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়াতে দৃশ্যমান ! অপরাধ
H
Heart To Heart
10 years ago
যেই কালভার্ট নিয়ে এত কথা সন্ধ্যা থেকেই সেখানে ছিলেন সোহাগীর মা।কই তখন তো সেদিকে কেউই ছিল না। রাত প্রায় ১০টা,সোহাগীর বাবা ফিরলেন বাসায়,এসে শুনলেন মেয়ে বাড়ী ফেরেনি,ফোন ও বন্ধ।বের হয়ে গেলেন খুঁজতে। কালভার্ট এলাকায় আসতেই প্রথমে চোখে পড়ে সোহাগীর একটি জুতা।তার কিছুদূর যাওয়ার পর কিছু চুল।আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলেন না,কেঁদে ফেললেন। মুহূর্তেই এমপি এসে হাজির,সেনানিবাস এলাকার বাসিন্দা হিসেবে তার কাছে সাহায্য চাইলেন তার মেয়েকে খুঁজে দিতে। কিন্তু এমপি নাকি চুপ করেই ছিলেন। #জানতে চাই এই চুপ করার মানে কি???যেখানে আমাদের কথা বলার চান্সই তারা কখনো দেয়না... যখন মেরে ফেলা হল,তখন এমপি আসেনি,কিন্তু এখন খোজার সময় এত জলদি কোথা থেকে উদয় হলেন???কিছুদূরে সোহাগীর ফোনটি বাজছিল যা এতক্ষন অফ ছিল। পরিশেষে পাশের একটি ঝোপের মাঝে উপুড় হয়ে থাকা সোহাগীর লাশ পাওয়া গেল। খেয়াল করুন- সেদিন হঠাৎ ক্যান্টনমেন্ট এর ২য় গেট বন্ধ কেন? কালভার্ট থেকে কেন কিছুদূর পর পর এই আলামত রাখা হল? এমপি চুপ করে থাকার রহস্য? বিশেষত - যে এলাকায় লাশ পাওয়া গেছে সেখানে সোহাগী মারার তেমন আলামত পাওয়া যায়নি।কিন্তু কেন?? কারন সোহাগীকে এখানে ধর্ষনে করাও হয়নি এখানে মারা হয়নি। অন্যকোথা থেকে লাশ এখানে এনে রাখা হয়েছে।যেখানে ২-৩ মিনিট পর পর এমপি এফআই গাড়ী টহলে থাকে সেখানে সোহাগী কে ধর্ষন করে কতক্ষণে। একটু ভেবে দেখুন ধর্ষনে কিন্তু কেউ মারা যায়না। যেমনি হোক বাঁচবে,কিন্তু ও মারা গেল কি করে,যা শুনেছেন সবই সাজানো কাহিনি।যেখানে একটা মাছি প্রবেশ করতে অনুমতি লাগে,,সেখানে বাইরে থেকে লাশ এনে ক্যান্টনমেন্ট এর ভেতরে রেখে যাওয়া এটা কোনো সাধারন মানুষের কাজ হতে পারে না।যেই এলাকায় তনুর লাশ পায় সন্ধ্যে ৭.৩০ পর ঐ গেটে প্রবেশ নিষেধ ছিল #কিন্তু কার অনুমতিতে?? লাশ পাওয়ার সাথে সাথে এমপি সেখানে উপস্থিত....howw lol!!!!! কি করছিলেন তিনি?? তারতো এখানে থাকার কথা না।।।আপনাদের মনে কি প্রশ্ন জাগেনা?? নাকি এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে করা যেন বাংলাদেশ ব্যাংক কেলেংকারির কথা জনগনকে ভুলিয়ে দেয়া যায়।
I
iktiar ahmed
10 years ago
we need justice for tonu.
S
Sadia Ulfath
10 years ago
We want justice for tonu.
M
Mahbubur Rahman
10 years ago
I do not feel secure as a father of two girls. Please stop it.....at any cost.
I stand for Tonu and every girl/women in the world.
Want justice for not only tonu but all the victims
just want justice for TONU.......
I want justice
Government should HANG those animal publicly ..
i want justice for tanu
I want justice ...
We want exemplary punishment immediately
আমরা এর ন্যায় বিচার চাই,,,, তনু বোন আমাদের ক্ষমা করে দিও,,,, তোমাকে নর পশুর হাত থেকে বাচাতে পারিনি,,,,
I want justice
enough is enough... Justice & open punishment is the only thing I want.
Justice for tonu
Want justice for a very young life who was killed in a
I WANT JUSTICE. I WANT DEATH SENTENCE. I WANT SECURITY. I WANT AWARENESS. I WANT BETTER MORALS.
All Bangladesh wants justice for Tonu.
ক্যান্টনমেন্টের এক সেনাসদস্য প্রায়ই তনুকে উত্যক্ত করত , তদন্ত ও রহস্যের উৎঘাটন এখন তাকে ঘিরেই হচ্ছে- স্কুল লাইফে থাকতে অধিকাংশ বন্ধুদের ডিফেন্সে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নে ভিভোর হতে দেখেছি , সাথে সাথে আমিও ভাসতাম তাদের সাথে । স্কুল শেষ করে কলেজে পা দিতেই অনেকই তো আড-ঘাট বেঁধে সৈনিক লেবেলে এক্সামও দিয়ে আসে , আশ্চর্য সাথে সাথে আমারও ডিফেন্সের প্রতি অরুচি জন্মাতে থাকে । কারণ ততোদিনে ব্যক্তি স্বাধীনতা নামক জিনিসটা অনুভব করতেছি । এবং সেই ব্যক্তি স্বাধীনতার সদামূল্যয়নে আগ্রহী হয়ে উঠলাম । তবে ডিফেন্সের প্রতি অরুচি জন্মের মূল কারণটা হল "ডিফেন্স লাইফের" সঠিক ও বাস্তব ধারণা , খোদ আমার সেজো মামা ডিফেন্সে ততোদিনে ৬/৭ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন , দেখলাম তার শিকল পরা শৃংখলিত ডিফেন্স জীবন !!!! তবে দেখি নাই ক্যান্টনমেন্টের ভিতরের জীবন ????? সিদ্ধান্ত পাকা " লাইফ আমার আমিই সাওয়ারি " ডিফেন্স লাইফের চিন্তা ✄✄ কেটে কবর দিলাম !!! কলেজ শেষ হতেই আত্মীয় সকলের চাপ পড়লো ," বাড়ির বড় ছেলে তুমি , আর কতদিন বাবার উপর বসে খাবে , যাও মামার মতো ডিফেন্সে ঢুকে পড়ো " !!! ততোদিনে ৬ ফিট উচ্চতায় পৌঁছে গেছি , তাই সবাই মানানসই হিসাবে ডিফেন্সেই বললো , যে যাই বলুক আমি শিকল পড়তে রাজি নই !! " লাইফ আমার আমিই সাওয়ারি" অন্য দিকে অনেক পরিচিত ছেলে ডিফেন্সে ঢুকে গেছে আর কেউ কেউ ঢুকতে চেষ্টা করেই যাচ্ছে..... আমি B.sc in Pharmachy তে admitted হয়ে পছন্দের পথে হাটছি। কিন্তু পরিবারের সেই ডিফেন্সে ঢুকার কথাটা এখনো কাটেনি , বিশেষ করে সেজো মামা তিনি প্রতিনিয়ত ডিফেন্সের সবধরনের নিয়োগ বিজ্ঞাপনের update জানাতেন আর try করতে বলতেন , আমি উদাস ভাবে আশ্বাস্ত করতাম মামাকে । ততোদিনে ডিফেন্স লাইফের সাদা-কালো সব ধারণা জানা হয়ে গেছে , এটা কোন জীবন হইলো ????? দূর !! তার চাইতে কামলা খাটা অনেক ভালো !! কেন ?????? জানতে চাইলে কমেন্টে আসেন ! শেষ করব একবিংশ শতাব্দীর সভ্য সভ্যতায় আধুনিক নিরপত্তার বলয় কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে ঘটে যাওয়া তনু ধর্ষণ ও হত্যার সাথে ওতপ্রেত ভাবে জড়িত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্লজ্জ ও নিকৃষ্ট ভূমিকা দিয়ে ---- ১) সাধারণত ডিফেন্সে শৃংখলা ভঙ্গের সাথে ওই সদস্যকে বা ওই সদস্যদেরকে চাকরিচূত্য করা হয়, কিন্তু সেনাবাহিনী এখন তনু হত্যার ঘটনা চাপা দিতে অতি ব্যস্ত , তাদের চাপের প্রভাব সকল টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়াতে দৃশ্যমান ! অপরাধ
যেই কালভার্ট নিয়ে এত কথা সন্ধ্যা থেকেই সেখানে ছিলেন সোহাগীর মা।কই তখন তো সেদিকে কেউই ছিল না। রাত প্রায় ১০টা,সোহাগীর বাবা ফিরলেন বাসায়,এসে শুনলেন মেয়ে বাড়ী ফেরেনি,ফোন ও বন্ধ।বের হয়ে গেলেন খুঁজতে। কালভার্ট এলাকায় আসতেই প্রথমে চোখে পড়ে সোহাগীর একটি জুতা।তার কিছুদূর যাওয়ার পর কিছু চুল।আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলেন না,কেঁদে ফেললেন। মুহূর্তেই এমপি এসে হাজির,সেনানিবাস এলাকার বাসিন্দা হিসেবে তার কাছে সাহায্য চাইলেন তার মেয়েকে খুঁজে দিতে। কিন্তু এমপি নাকি চুপ করেই ছিলেন। #জানতে চাই এই চুপ করার মানে কি???যেখানে আমাদের কথা বলার চান্সই তারা কখনো দেয়না... যখন মেরে ফেলা হল,তখন এমপি আসেনি,কিন্তু এখন খোজার সময় এত জলদি কোথা থেকে উদয় হলেন???কিছুদূরে সোহাগীর ফোনটি বাজছিল যা এতক্ষন অফ ছিল। পরিশেষে পাশের একটি ঝোপের মাঝে উপুড় হয়ে থাকা সোহাগীর লাশ পাওয়া গেল। খেয়াল করুন- সেদিন হঠাৎ ক্যান্টনমেন্ট এর ২য় গেট বন্ধ কেন? কালভার্ট থেকে কেন কিছুদূর পর পর এই আলামত রাখা হল? এমপি চুপ করে থাকার রহস্য? বিশেষত - যে এলাকায় লাশ পাওয়া গেছে সেখানে সোহাগী মারার তেমন আলামত পাওয়া যায়নি।কিন্তু কেন?? কারন সোহাগীকে এখানে ধর্ষনে করাও হয়নি এখানে মারা হয়নি। অন্যকোথা থেকে লাশ এখানে এনে রাখা হয়েছে।যেখানে ২-৩ মিনিট পর পর এমপি এফআই গাড়ী টহলে থাকে সেখানে সোহাগী কে ধর্ষন করে কতক্ষণে। একটু ভেবে দেখুন ধর্ষনে কিন্তু কেউ মারা যায়না। যেমনি হোক বাঁচবে,কিন্তু ও মারা গেল কি করে,যা শুনেছেন সবই সাজানো কাহিনি।যেখানে একটা মাছি প্রবেশ করতে অনুমতি লাগে,,সেখানে বাইরে থেকে লাশ এনে ক্যান্টনমেন্ট এর ভেতরে রেখে যাওয়া এটা কোনো সাধারন মানুষের কাজ হতে পারে না।যেই এলাকায় তনুর লাশ পায় সন্ধ্যে ৭.৩০ পর ঐ গেটে প্রবেশ নিষেধ ছিল #কিন্তু কার অনুমতিতে?? লাশ পাওয়ার সাথে সাথে এমপি সেখানে উপস্থিত....howw lol!!!!! কি করছিলেন তিনি?? তারতো এখানে থাকার কথা না।।।আপনাদের মনে কি প্রশ্ন জাগেনা?? নাকি এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ভাবে করা যেন বাংলাদেশ ব্যাংক কেলেংকারির কথা জনগনকে ভুলিয়ে দেয়া যায়।
we need justice for tonu.
We want justice for tonu.
I do not feel secure as a father of two girls. Please stop it.....at any cost.