We want justice! #Justice_for_Tonu. Plz shre this messege all over the world al newspaper, all tv chanels and media and action against it plz!!!
M
Marzana
10 years ago
Wee need justice.
As a woman we need secured life.
M
Munia
10 years ago
মেয়েটির নাম সোহাগী জাহান তনু, বয়স ১৯। সে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলো। কলেজের নাট্য সংগঠন ‘ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারে’ (ভিসিটি) ছিলো তার অবাধ বিচরণ। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় অলিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তনু ছিলো মেজো। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারণে তনু পাড়াশোনার পাশিপাশি বাসার কাছে অলিপুর গ্রামেই এক বাসায় টিউশনি করে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে আসছিলো।
হত্যাকান্ডের দিন তনু ২০ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিদিনের মতো ঘর থেকে বের হয়। বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইলে যোগাযোগ করে, কিন্তু পায়নি। যে বাসায় টিউশনি করতো সেখানে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওই বাসা থেকে বের হয়ে গেছে সে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়নামতি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে পাওয়ার হাউসের পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানে তনুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। গলাকাটা মৃতদেহ নগ্ন অবস্থায় কালভার্টের পাশে ঝোপঝাড়ের ভেতর পড়েছিলো। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিলো। মোবাইল ফোনটিও পড়েছিল পাশে।
মেয়ের লাশ দেখে বাবার চিৎকার— “মা, আমার মা রে…”
ঘর থেকে বের হবার আগে মাকে বলে গিয়েছিলো— “মা টেইলারের কাছ থেকে আমার নতুন জামাটা আজ নিয়ে এসো, আমি কাল নতুন জামা পরে কলেজ যাবো..”
সেই নতুন জামা আর কখনোই পরা হবে না তনুর।
মেয়েটি হতে পারতো আমার আপনার বোন। যে আজ পৈশাচিক হত্যাকান্ডের স্বীকার। আপনি কি আজ প্রতিবাদ করবেন না। নাকি যেদিন আমার আপনার বোন এরকম লালশার স্বীকার হবে। সেদিন আপনি প্রতিবাদী হবেন। সারাদেশে এতসব অরাজকতা অন্তত একটা হত্যাকান্ডের বিচার হোক। আমরা সবাই সোচ্চার হই এই নারকীয় হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে। যাতে আর কাউকে ধর্ষিতা হয়ে মৃত্যুবরণ না করতে হয়। নরপশুদের লালশার স্বীকার না হতে আর কোন বোনকে। প্রশাসনের বিচারহীনতার সংস্কৃতিই মানুষরুপী অমানুষদের উসকে দিচ্ছে এরকম ধর্ষণ এবং নৃশংস হত্যাকান্ডের দিকে। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ বিচার প্রত্যাশা করছি। যে যেখান থেকে পারেন প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠুন। তনুর মত আর কাউকে যেনো এভাবে জীবন দিতে না হয়।
আজকে আপনার প্রতিবাদের কন্ঠই আগামী দিনে আমাদের বোনের পথচলাটা নিরাপদ হবে....
I plea Justice for tanu.
Comments
we want JUSTICE for Tonu
Justice for tonu
#JusticeForTonu
Justice For Tanu
Justice for Tonu. we don't want to see any more
Justice for tanu
#JusticeForTonu
Comments
We want justice for tonu
Opradir fasi chai.
I want justice for tonu.
#justicefortonu
We want justice! #Justice_for_Tonu. Plz shre this messege all over the world al newspaper, all tv chanels and media and action against it plz!!!
Wee need justice. As a woman we need secured life.
মেয়েটির নাম সোহাগী জাহান তনু, বয়স ১৯। সে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলো। কলেজের নাট্য সংগঠন ‘ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারে’ (ভিসিটি) ছিলো তার অবাধ বিচরণ। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় অলিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তনু ছিলো মেজো। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারণে তনু পাড়াশোনার পাশিপাশি বাসার কাছে অলিপুর গ্রামেই এক বাসায় টিউশনি করে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে আসছিলো। হত্যাকান্ডের দিন তনু ২০ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিদিনের মতো ঘর থেকে বের হয়। বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইলে যোগাযোগ করে, কিন্তু পায়নি। যে বাসায় টিউশনি করতো সেখানে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওই বাসা থেকে বের হয়ে গেছে সে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়নামতি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে পাওয়ার হাউসের পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানে তনুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। গলাকাটা মৃতদেহ নগ্ন অবস্থায় কালভার্টের পাশে ঝোপঝাড়ের ভেতর পড়েছিলো। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিলো। মোবাইল ফোনটিও পড়েছিল পাশে। মেয়ের লাশ দেখে বাবার চিৎকার— “মা, আমার মা রে…” ঘর থেকে বের হবার আগে মাকে বলে গিয়েছিলো— “মা টেইলারের কাছ থেকে আমার নতুন জামাটা আজ নিয়ে এসো, আমি কাল নতুন জামা পরে কলেজ যাবো..” সেই নতুন জামা আর কখনোই পরা হবে না তনুর। মেয়েটি হতে পারতো আমার আপনার বোন। যে আজ পৈশাচিক হত্যাকান্ডের স্বীকার। আপনি কি আজ প্রতিবাদ করবেন না। নাকি যেদিন আমার আপনার বোন এরকম লালশার স্বীকার হবে। সেদিন আপনি প্রতিবাদী হবেন। সারাদেশে এতসব অরাজকতা অন্তত একটা হত্যাকান্ডের বিচার হোক। আমরা সবাই সোচ্চার হই এই নারকীয় হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে। যাতে আর কাউকে ধর্ষিতা হয়ে মৃত্যুবরণ না করতে হয়। নরপশুদের লালশার স্বীকার না হতে আর কোন বোনকে। প্রশাসনের বিচারহীনতার সংস্কৃতিই মানুষরুপী অমানুষদের উসকে দিচ্ছে এরকম ধর্ষণ এবং নৃশংস হত্যাকান্ডের দিকে। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ বিচার প্রত্যাশা করছি। যে যেখান থেকে পারেন প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে উঠুন। তনুর মত আর কাউকে যেনো এভাবে জীবন দিতে না হয়। আজকে আপনার প্রতিবাদের কন্ঠই আগামী দিনে আমাদের বোনের পথচলাটা নিরাপদ হবে....
we want justice
We want justice.
#JusticeForTonu